
নিউজ ডেস্কঃ সরকারের পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী চলতি জানুয়ারির শেষ সপ্তাহের আগেই দেশে আসছে বহু প্রত্যাশিত করোনাভাইরাসের টিকা। অর্থাৎ আগামী ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যেই দেশে টিকা আসবে, এটি এখন নিশ্চিত। সেই টার্গেট ধরেই এখন শুরু হয়েছে টিকা দেশে আসার পরবর্তী সব কার্যক্রম। সব কিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে মাঠপর্যায়ে এই টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। এ জন্য নিবন্ধন শুরু হবে আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে।
এর আগে দেশে টিকা এসে পৌঁছার পরপরই ঢাকার কোনো একটি হাসপাতালে এবং ঢাকার বাইরের একাধিক হাসপাতালে একটি পাইলট প্রকল্প আকারে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে টিকা দেওয়া হবে। অন্য দেশে যা ড্রাইরান বা মহড়া হিসেবে বিবেচিত হয়, এখানে সেই মহড়াটি অভিনয় নয়, বরং বাস্তব প্রয়োগ করে এক সপ্তাহের জন্য পরীক্ষামূলক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ার কারিগরি নানা ছক এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগে প্রতি মাসে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা বলা হলেও এখন বলা হচ্ছে, প্রতি মাসে ৫০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া আগে প্রথম ডোজ দেওয়ার ২৮ দিন পরে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও এখন সেখান থেকে সরে এসে দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। এখন প্রথম ডোজ দেওয়ার আট সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলম টিকাসংক্রান্ত এসব প্রস্তুতির বিষয়ে অবহিত করেন। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, আরেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার নাসিমা সুলতানা, টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।