
নিউজ ডেস্কঃ শুরুটা হয়েছিল মায়ের দেওয়া ৯৪৮ টাকায় লাকড়ির (জ্বালানি কাঠ) ব্যবসা দিয়ে। লাভ হচ্ছিল ভালোই। ব্যবসা প্রসারের চিন্তা করছিলাম। একসময় ধান ঝাড়া মেশিন নজরে আসে। কুমিল্লা থেকে আসত এগুলো। কষ্ট ও সময় সাশ্রয়ী হওয়ায় মেশিনগুলো কৃষকের কাছে জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। কাঠের ব্যবসার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেইতো এ মেশিনগুলো তৈরি করতে পারি- এমন চিন্তা থেকেই ৩০ বছর পূর্বে কালীগঞ্জে প্রথম ধান ঝাড়া মেশিন তৈরি করা শুরু করেছিলাম। গড়ে তুলেছিলেন দিশারী কাঠগোলা অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ নামের ধান ঝাড়া মেশিন তৈরির কারখানা।
কথাগুলো বলেছিলেন, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পশু হসপিটাল পাড়ার দিশারী কাঠগোলা অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের কর্ণধার আলহাজ লুৎফর রহমান (৬৫)। দিশারী কাঠগোলা অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের ধান ঝাড়া মেশিন তৈরির কারখানাটি বর্তমানে কোটি টাকার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। যেখানে ৪০-৫০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। সততার সাথে কঠোর পরিশ্রমে তিলে তিলে গড়ে তোলা এ কারখানাটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মনে করেন।