
নিউজ ডেস্কঃ আলোঝলমল সকাল। ভাসানচরের জন্য অপেক্ষমাণ রোহিঙ্গারা। একে একে পাঁচটি জাহাজ ছুটে চলল তাদের নিয়ে। নদীতে ছিল নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র্যাব, নৌ-পুলিশের স্পিড বোটগুলোর টহল, কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নানা বয়সী এসব মিয়ানমার নাগরিকের দ্বিতীয় দলের সবার চোখেমুখে খেলা করছিল তখন নতুন স্বপ্ন। আর দুপুরে ভাসানচরে পৌঁছে উচ্ছ্বাসে ভাসতে থাকেন তারা। এদের অধিকাংশই প্রথম ধাপে ভাসানচরে আসা রোহিঙ্গাদের স্বজন। আবার কেউ কেউ তাদের কাছে ভাসানচরের গল্প শুনে সেখানে আসতে উৎসাহিত হন। অনেকে ভাসানচরের লাইভ দেখেও উৎসাহিত হয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ছাড়তে। দ্বিতীয় দল ভাসানচরে পা রাখতেই সেখানে নব উচ্ছ্বাস দেখা দেয় স্বজনদের মধ্যে। এতদিন যেন অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন একে অপরের জন্য।
নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে দ্বিতীয় দলের অভ্যর্থনায় রঙিন ব্যানার ফেস্টুনে সাজানো হয় প্রবেশ দ্বার। তাদের অভ্যর্থনায় ঘাটে অবস্থান নেন নৌবাহিনী ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দ্বিতীয় ধাপে স্বেচ্ছায় ৪২৮ পরিবারের ১ হাজার ৮০৪ জন রোহিঙ্গা ভাসানচরে পৌঁছলে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। দ্বিতীয় দলে যারা এসেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ৪৩৩ জন পুরুষ, ৫২৩ জন নারী ও ৮৪৮ জন শিশুও। এ সময় ভাসানচরের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ করে নির্ধারিত ওয়্যার হাউসে কিছু দিক-নির্দেশনা দেন নৌবাহিনীর সদস্যরা।