
নিউজ ডেস্কঃ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে প্রাকৃতিক গ্যাস সংযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জ্বালানি বিভাগ গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার আদেশ দিয়েছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো সভা করে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আবাসিকে গ্যাস সংযোগের অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকরা আর সংযোগ পাবেন না। ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করে জমাকৃত অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানি। গ্যাস বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্য মতে নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা বলেন বৈধ এবং অবৈধ উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ। ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের প্রায় সবাই অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছেন। তিনি আরও বলেন বিতরণ কোম্পানিগুলোর স্থানীয় কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের যোগসাজশে বাসাবাড়িতে অবৈধভাবে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি তারা প্রতিমাসে মাসিক গ্যাসের বিলও আদায় করছেন। গ্যাস চুরির কারণে জাতীয় সম্পদের অপচয় হচ্ছে। সরকার বিশাল অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছ। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান জানান, গ্যাসের সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। বাসাবাড়িতে নতুন সংযোগ দেওয়ার পরিস্থিতি এবং সক্ষমতা এখন নেই। তাই আশা ঝুলিয়ে না রেখে সরকারের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের জানিয়ে দেওয়া হলো।