
নিউজ ডেস্কঃ প্রণোদনা প্যাকেজ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে এবং এর বণ্টনের সঠিক কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। যাতে সিএমএসএমই ব্যবসায়ীগণ এর সুফল ভোগ করতে পারে; তবেই এর উদ্দেশ্যের সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। সোমবার (২১ ডিসেম্বর) ‘বিজয় দিবস-২০২০ ভার্চ্যুয়াল সিএমএসএমই বিভাগীয় মেন্টরশিপ’ প্রোগ্রামে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি এন্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ (আইসিই) সেন্টার এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে গৃহীত ‘রিভাইভ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলা থেকে সিএমএসএমই ব্যবসায়ীগণ এবং এই খাতের সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারগণ অংশগ্রহণ করেন। আইসিই সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মো. রাশেদুর রহমান বলেন, এই প্রকল্পের ১০০ ঘণ্টার ভার্চ্যুয়াল মেন্টরশিপের মাধ্যমে যে আলোচনার শুরু হয়েছে সেটির ধারা অব্যাহত থাকবে এবং আগামীদিনের অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক ইমরুল জোবায়েদ বলেন, বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় শুধু অফলাইন নয় বরং সিএমএসএমই ব্যবসায়ীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এটি একটা ব্যবসায়কে দীর্ঘ মেয়াদি সফলতা অর্জন করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।