News71.com
 Bangladesh
 05 May 20, 06:19 PM
 228           
 0
 05 May 20, 06:19 PM

তৃতীয়দফায় ব্যবসায়ীদের বিশেষ ছাড় দিল বন্দর কৃর্তপক্ষ॥

তৃতীয়দফায় ব্যবসায়ীদের বিশেষ ছাড় দিল বন্দর কৃর্তপক্ষ॥

নিউজ ডেস্কঃ তৃতীয় দফায় আবারও কনটেইনার রাখার ভাড়া শতভাগ ছাড় দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৬ মে এর মধ্যে পণ্য খালাস নেওয়া হলে এই ছাড় পাবেন ব্যবসায়ীরা। এ সময়ের মধ্যে খালাস নেওয়া না হলে দন্ডভাড়া আরোপ হবে বলেও জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। গত ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সাধারণ ছুটির সময়ে আমদানি হওয়া কনটেইনার বন্দরে নামানো হয়েছে সেগুলো খালাসের ক্ষেত্রে এই ছাড় পাওয়া যাবে। ছুটি ঘোষণার চারদিন আগের কনটেইনারও এই সুবিধা পাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। প্রথম দফায় ২০ এপ্রিল পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় ৪ মে পর্যন্ত কনটেইনার রাখার ভাড়ায় ছাড় দেওয়া হয়। এবার মিলে দেড় মাসের বেশি সময় এই সুবিধা পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

জানতে চাইলে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ আজ মঙ্গলবার বলেন, সাধারণ ছুটি বাড়ানোর কারণে কনটেইনার রাখার ভাড়ায় ছাড়ের সময় বাড়ানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে এই সুবিধা নিয়ে দ্রুত পণ্য খালাস করেন সেজন্য আহ্বান জানাই। কারণ পণ্য খালাস হলে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো সহজ হবে। ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপে বন্দরের কার্যক্রমে গতি এসেছে। বন্দর সূত্র জানায়, ছাড়ের সুবিধা নিতে শেষদিনই বেছে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আগের সময়সূচি অনুযায়ী, গতকাল সোমবার ছিল শতভাগ ছাড়ের সুবিধা। এদিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কনটেইনার বন্দর থেকে খালাস হয়। অবশ্য পণ্য খালাসের সঙ্গে যুক্ত সব সংস্থার সেবার আওতা বাড়ানোর পর থেকে খালাসের হার বাড়ছিল।

স্বাভাবিক সময়ে জাহাজ থেকে নামানোর পর চারদিন পর্যন্ত বিনা ভাড়ায় কনটেইনার রাখা যায় বন্দরে। এরপর প্রথম ধাপে প্রতিটি কনটেইনারে ৬ ডলার, দ্বিতীয় ধাপে ১২ ডলার এবং শেষ ধাপে ২৪ ডলার করে ভাড়া দিতে হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ ছাড়ের সুবিধা দেওয়ায় সময়ভেদে একেকটি কনটেইনারে সর্বোচ্চ ৪০–৫০ হাজার টাকা ছাড় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। জানতে চাইলে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ব্যবসায়ীদের অনুরোধ পাওয়ার পর ছাড়ের সুবিধা বাড়ানোর জন্য বন্দরকে আমরা অনুরোধ জানিয়েছিলাম। বন্দর সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এখন ব্যবসায়ীদের উচিত হবে দ্রুত পণ্য খালাস করে নেওয়া, যাতে বন্দরের পরিচালন কার্যক্রমে কোনো সমস্যা না হয়।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন