
নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপকতা বাড়ার কারণে সাধারণ ছুটির ৩৯তম দিনে এসে স্বরুপে ফিরতে শুরু করছে চিরচেনা রাজধানী৷ শুধুমাত্র গণপরিবহন ছাড়া সব ধরনের গাড়ি সড়কে চলাচল করছে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর অনেক সড়কেই যানজট দেখা গেছে। অপরদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে ঢাকার প্রবেশপথে যানজটই লক্ষ্য করা গেছে। ট্রাক ও লরি ছাড়াও লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ির আধিক্য দেখা গেছে। বলা যায় দূরপাল্লার বাস ছাড়া সব ধরনের যানবাহনই সড়কে চলাচল করছে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানী, বিজয় সরণি, যাত্রাবাড়ী, আব্দুল্লাহপুর ও গাবতলী এলাকায় সিগন্যাল অপেক্ষা করতে হয়েছে গাড়িগুলোকে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও সিএনজি অটোরিকশাসহ বেড়েছে রাজধানীর সড়কে। বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ভিড়ও দেখা গেছে। অনেককেই আবার হেঁটে কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। গতকাল সোমবার ( ৪ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপিংমল খোলা রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই রাজধানী স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও খুলতে শুরু করেছে। ফলে রাজধানীতে মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে আসছে।
আজ সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকায় দেখা যায়, মহাসড়কে প্রচুর গাড়ি। দূরপাল্লার বাস ছাড়া সব ধরনের গাড়ি রয়েছে মহাসড়কে। হাইওয়ে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খেতে দেখা গেছে। ঢাকায় প্রচুর গাড়ি প্রবেশ করছে। এছাড়াও সিএনজির স্ট্যান্ডগুলোতে সিএনজি নিয়ে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে চালককে। একই চিত্র দেখা গেছে গাবতলী ও আব্দুল্লাহপুর দিয়ে ঢাকার প্রবেশপথে। সিএনজি অটোরিকশাচালক মঈন মিয়া বলেন, পেটের তাগিদে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। তবে আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি যাত্রী মিলছে। কয়দিন আগেও খুব ভয় ও আতঙ্ক ছিলো মানুষের মাঝে, এখন আর সেটা নেই। পুরোদমে আমরা গাড়ি চালাচ্ছি। কোনো বাধা নেই। ব্যক্তিগত গাড়িচালক আসাদ মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, সকালে বনানী সিগন্যালে যানজট ছিলো। প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে সিগন্যালে। মদনপুরে হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, আগের মতোই ব্যস্ততা বেড়েছে সড়কে। মঙ্গলবার মহাসড়ক অনেকটা স্বাভাবিক।