
নিউজ ডেস্কঃ সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় থেকে হরিণের মাংস, চামড়া এবং জ্বালানী কাঠ পাচারের অভিযোগে তিন ব্যক্তিতে আটক করেছে বনরক্ষীরা। পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই ঢাংমারী স্টেশনের বনরক্ষীরা পৃথক অভিযান চালিয়ে এ হরিণের মাংস ও চামড়া এবং বনজ কাঠ উদ্ধার করা হয়। বনবিভাগ ও স্থানীয়রা জানান, ঢাংমারী ফরেস্ট স্টেশন সংলগ্ন বোজনখালী এলাকার মো. মজিবুর রহমানের বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বনরক্ষীরা সদ্য জবাইকৃত একটি চিত্র হরিণের চামড়া আটক করে। অভিযোগ রয়েছে যে বাড়ি থেকে হরিণের চামড়াটি উদ্ধার করা হয়েছে ওই বাড়িতে জাপসি ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির রানা নামের এক বনরক্ষী গত বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থান ও হরিণের মাংস ভোজন করেন। শুক্রবার বিকেলে মজিবুরের ছেলে বেল্লাল ট্রলার যোগেই ওই বনরক্ষীকে তার কর্মস্থলে জাপসিতে পৌঁছে দেয়।
আর দিনগত রাত ১১ টার দিকে বনরক্ষীরা ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হরিণের চামড়া উদ্ধার করে। এ সময় অভিযানে যাওয়া বনরক্ষীদের কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে হরিণ শিকারী চক্রের সদস্যরা। এর ফলে হরিণ শিকারী চক্রের কাউকে আটক করতে পারেনি বনবিভাগ। আর এ ঘটনার জের ধরে শনিবার ভোর রাতে একটি ভাড়া চালিত ইঞ্জিন নৌকাসহ সোহাগ (২১) ও হানিফ মাঝি (৩৫) নামের নিরীহ দুই ব্যক্তিতে আটক ও মিথ্যা জ্বালানী কাঠ পাচারের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করা হয়। মোংলার ফুয়েল ঘাটে খোদ বনরক্ষীদের সামনেই কান্না ভেঙ্গে পড়েন ওই দুই যুবক।অভিযোগ করেন-তাদের ট্রলারটি থামিয়ে ঘাঘড়ামারী টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা দ্রুত ট্রলারের ভেতর কিছু জ্বালানী কাঠ ওঠায় এবং ঢাংমারী স্টেশনে জ্বালানী কাঠের সংকট রয়েছে বলে জানায়। পরে এ কাঠ পৌঁছে দিতে গেলে তাদের আটক করা হয়।