
নিউজ ডেস্কঃ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবেলায় সরকারি স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ কারণে সকল মিষ্টি বিক্রির দোকানসহ হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন দুগ্ধ খামারিরা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দুধের চাহিদা একেবারেই নেই। সেই সাথে গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন লোকসান গুনতে হচ্ছে উপজেলার দুগ্ধ খামারিদের।
হিসাববিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেও কোন চাকরি না করে নিজ উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জ এগ্রোফার্ম ও এগ্রিটেক্ট ফার্ম লিমিটেড নামে দুটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার দাউদনগর মহল্লার সৌরভ পাল চৌধুরী। তার এই ডেয়ারি ফার্মে দৈনিক প্রায় ২শ লিটার দুধ উৎপন্ন হয়। এসব দুধ মিষ্টান্ন তৈরীর দোকানসহ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে তিনি স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দোকানপাট বন্ধ থাকায় উৎপাদিত দুধ নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন তিনি।