
নিউজ ডেস্কঃ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার এম খায়রুজ্জামান ফিরিয়ে দিতে দেশটির সরকার রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি জানান, খায়রুজ্জামান অভিবাসন আইনে গ্রেফতার হয়েছেন। এ আইনে প্রবাসীরা অপরাধ করলে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ আছে। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার আসামি তৎকালীন সেনাবাহিনীর মেজর এম খায়রুজ্জামান। এরপর সেনাবাহিনী থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। পাঠিয়ে দেওয়া হয়, মিশরের বাংলাদেশ দূতাবাসে। ১৯৭৬-১৯৮৩ সাল পর্যন্ত সেখানেই কর্মরত ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর অবসরে পাঠানো হয়। গ্রেফতার ও অবসর গ্রহণের আগে ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আবারও বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে খায়রুজ্জামান জামিনে মুক্তি পান। ২০০৩ সালের ৪ মে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মহাপরিচালক হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়। করা হয় মালয়শিয়ার রাষ্ট্রদূত। এরই মাঝে ২০০৪ সালে ঢাকার একটি বিচারিক আদালত তাকে খালাস দেন। ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার, দায়িত্বগ্রহণের পর খায়রুজ্জামানকে ঢাকায় ফেরত আসতে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু জীবননাশের শঙ্কায় তিনি কুয়ালালামপুরে ইউএনএইচসিআরের দারস্থ হয়ে দেশটিতে থাকার জন্য পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। এরপর থেকে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন সেখানে।