
নিউজ ডেস্কঃ “শারুন চৌধুরী ফোন করে র্যাডিসন হোটেলে দেখা করতে যেতে বলেন। আমার স্বামী এতে রাজি না হলে তিনি বলেন—‘তাহলে আমি আসছি।’ এরপর আমাদের বাসায় পারভেজ আর জাবেদ এসে যখন হামলা চালান, তখন শারুন ও বাচ্চু ছিলেন। তাঁরা গাড়িতে বসা ছিলেন। শারুন অব্যাহতভাবে হুমকি দেন। তাঁর নাম করে পারভেজও হুমকি দেন। একে-৪৭ রাইফেলের ছবিসহ কিছু বিতর্ক ছড়িয়ে পড়লে শারুন সামনে না এলেও তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে বাচ্চু ছিলেন সব জায়গায়। ২০১৯ সালের মামলায় তাঁর নাম দিইনি। শারুন প্রভাবশালী। আমাদের নিরাপত্তা কে দেবে? এখনো নাম দিইনি। সঠিকভাবে তদন্ত করা হলে, আসামি ধরা হলে বেরিয়ে আসবে শারুন, বাচ্চুসহ কারা জড়িত।”
প্রভাবশালীদের চাপে আত্মহত্যায় বাধ্য হওয়া চট্টগ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোর্শেদ চৌধুরীর স্ত্রী ইসরাত জাহান চৌধুরী গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই তাঁদের অসহায়ত্বের বর্ণনা দেন। তিনি স্বামীর মৃত্যুর জন্য দায়ী বিতর্কিত শারুন চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বারের সাবেক পরিচালক জাবেদ ইকবাল, তাঁর ভাই পারভেজ ইকবাল, নাইম উদ্দিন সাকিব, যুবলীগ নেতা শহীদুল হক চৌধুরী রাসেল ও সাবেক ছাত্রনেতা আরশাদুল আলম বাচ্চুর বিচার দাবি করেন।