
নিউজ ডেস্কঃ শুধু সিলেটে বহিষ্কৃত মারজান নন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় মামুনুল ও হেফাজতের পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আরো বেশ কিছু পদধারী ছাত্রলীগ নেতা। যে মামুনুল কিছুদিন আগেই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তাঁরই পক্ষে ছাত্রলীগ নেতাদের এ ধরনের অবস্থান বিভিন্ন মহলে সংগঠনটিকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে।
এ দেশের মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় ভূমিকা রাখার ঐতিহ্যের সংগঠন ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ ঘটেছে স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠীর। সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ে পদ-পদবি হাতিয়ে নিয়েছে উগ্র সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদীরাও। ফলে বিভিন্ন সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে ছাত্রলীগকে। এ অবস্থায় সংগঠনে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা ও তাদের বহিষ্কারের পথে হাঁটছে ছাত্রলীগ। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আরো বেশ কিছু অভিযোগ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে রয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনটি জানিয়েছে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করছি ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে যে অনুপ্রবেশ ঘটেছে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, স্থানীয় পর্যায়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলে কোনো কোনো নেতা অনুপ্রবেশকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেন। আমরা সতর্ক থাকার পরও চোখের আড়াল দিয়ে দু-একজন ঢুকে পড়ে। এই অনুপ্রবেশকারীদের আমরা কোনোভাবেই ছাড় দেব না।’