
নিউজ ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি মিল থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের ভোজ্য তেলের বাজার। গত এক সপ্তাহে সব ধরনের তেলের মণ প্রতি দাম বেড়েছে দুশো থেকে আড়াইশো টাকা। পাইকারি পর্যায়ে দিনে অন্তত ৩ বার করে তেলের দাম বাড়ছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্য পণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে বুধবার প্রতি মণ সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা দরে। অথচ গত সপ্তাহে দর ছিলো ৩ হাজার ৪শো টাকা। একইভাবে ৩ হাজার টাকার পাম অয়েল ৩ হাজার ২৮০ টাকা এবং ৩ হাজার ২০০ টাকার সুপার সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৩০ টাকা দরে।
চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জ মেসার্স আব্বাস সওদাগরের ম্যানেজার জাফর আহমেদ বলেন, 'আমরা বললাম কেন দাম বাড়ছে তখন জানতে পেলাম আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ছে ।ব্যবসায়ীদের দাবি, মিল থেকে পর্যাপ্ত তেলের সরবরাহ না থাকায় দিনে ৩ থেকে ৪ বার করে দাম বাড়ছে। একজন বলেন, 'সয়াবিন যেখানে উৎপাদন হয় সেখানে বন্যা হয়েছিল। দাবানলের কারণে বুকিং বাড়তি।' বর্তমানে মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে তেল আসা অনেকটা কমে গেছে।
তবে পাইকারি পযার্য়ের ব্যবসায়ীদের দাবি, বহির্বিশ্বেই তেলের মূল ঘাটতি। যে কারণে বুকিং রেট লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এক সপ্তাহে বুকিং রেট বেড়েছে ১০০ থেকে ১২০ মার্কিন ডলার। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের মালিক আলমগীর পারভেজ বলেন, কয়েকটা মিল আছে সে জায়গায় ছাড়া বাকি সব জায়গায় মাল ডেলিভারি নেই। বছরে বাংলাদেশে ১৫ থেকে ১৮ লাখ মেট্রিক টন ভোজ্য তেলের চাহিদা রয়েছে।