
নিউজ ডেস্কঃ শুধুমাত্র চাকরির আগে নয়, পরেও করা হবে ডোপ টেস্ট। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) এর আদলে একটি পৃথক ইন্সটিটিউট গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এটি বাস্তবায়ন হলে কোনো চাকরি করতে পারবেন না মাদকাসক্তরা। গত ২৭ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ ইন্সটিটিউট গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওই ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে সরকারি চাকরি ছাড়াও বেসরকারি চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তি প্রত্যাশীদেরও ডোপ টেস্ট করানো হবে। সন্দেহভাজন যে কাউকেই ডোপ টেস্ট করিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে এ ইন্সটিটিউট।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও এমপি শামসুল হক টুকু গণমাধ্যমকে বলেন, মাদক নির্মূলে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বিএসটিআইয়ের আদলে একটি ইনস্টিটিউট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মাদক শনাক্তের ভয় থাকলে সবাই মাদক থেকে দূরে থাকবে। তাই বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা ডোপ টেস্ট কার্যক্রম জোরদারের জন্য এ প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় এই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে, ‘মাদকাসক্ত শনাক্তকরণ ডোপ টেস্ট প্রবর্তন (প্রথম) পর্যায়’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় করা হবে ৬২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, যশোর, কুমিল্লা, রাঙামাটি, নোয়াখালী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, দিনাজপুর ও রংপুর- এই ১৯ জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।