
নিউজ ডেস্কঃ মাদারীপুরে ১৫ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় শামসুল হক নামে একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ রায়ের ফলে স্বামীর স্বীকৃতি পেলেন সেই নারী। একই সাথে এ মামলার অপর দুই আসামির দোষ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় ঘোষণা করেন। তবে, দণ্ডপ্রাপ্ত শামসুল হক পতালক রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ কানাইপুর গ্রামের প্রভাবশালী শামসুল হকের নজর পড়ে একই এলাকার দরিদ্র পরিবারের ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর ওপর। তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। পরে প্রলোভন দেখিয়ে একটি নীল কাগজে ভুয়া বিয়ের কাবিননামা দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন ওই ব্যক্তি। এতে ওই ১৫ বছর বয়সী কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। পরে স্বামী ও সন্তানের স্বীকৃতি চাইলে অস্বীকার জানান শামসুল হক। স্বামী ও সন্তানের স্বীকৃতির জন্য বিচারের আশায় ১৯৯৯ সালের ২৮ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরিবারটি অসহায় হওয়ায় মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নেয় মাদারীপুর লিগাল এইড অ্যাসোসিয়েশন।