News71.com
 Bangladesh
 28 Aug 20, 11:54 AM
 223           
 0
 28 Aug 20, 11:54 AM

সাতক্ষীরার শ্যামনগর-আশাশুনি এলাকার বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হাজার গ্রাম॥

সাতক্ষীরার শ্যামনগর-আশাশুনি এলাকার বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হাজার গ্রাম॥

নিউজ ডেস্কঃ সাতক্ষীরায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত গ্রামের পর গ্রাম। বন্যাকবলিত এলাকার চারদিকে এখন শুধু পানি আর পানি। কিন্তু বিশুদ্ধ পানির অভাবে রান্নাবান্নাসহ অন্যান্য কাজে চরম দুর্ভোগে বানভাসিরা। জনস্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। সাতক্ষীরার আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার চারদিকে বানের জলে থৈ থৈ। টিউবওয়েল ও পুকুরসহ বিশুদ্ধ পানির সব উৎস পানির নিচে। দীর্ঘলাইন পেরিয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ করতে হচ্ছে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসা বানভাসিদের। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ জানান, টিউবওয়েলে লবণাক্ত পানি উঠেছে; এজন্য পানি নেওয়ার জন্য তিন কিলোমিটার পায়ে হেঁটে এখানে এসেছি। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতের ঘা না শুকাতেই ২০ আগস্ট থেকে নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বৃদ্ধি পায়। এতে জেলার উপকূলীয় অঞ্চলের বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। ভেসে যায় শত শত মাছের ঘের, তলিয়ে যায় ফসলের ক্ষেত। পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর দিন কাটছে হাজার হাজার পরিবারের।


এলাকায় খাদ্যের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার জলের তীব্র সংকট। জীবন বাচানোর তাগিদে মানুষ পান করছে বন্যার পানি। যা মানুষকে স্বাস্হ্য ঝুকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এ অবস্থায় বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে খাবার পানির সঙ্কট সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানায় জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সাতক্ষীরা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরশেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য পর্যাপ্ত ট্যাবলেট রয়েছে। আর এই বাঁধটাকে যদি দীর্ঘস্থায়ী মেরামত না করা হয়। তাহলে মানুষের সাময়িক সমাধান দিয়ে কোন লাভ হবে না। দুই উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন