
নিউজ ডেস্কঃ চোর শনাক্তের নামে প্রভাবশালী আব্দুর রব ঢালী ও তার ছেলেরা কবিরাজের ঝাড়ফুঁক দেয়া রুটি খাওয়ানোর নামে বিষাক্ত রুটি খাইয়ে পরিকল্পিতভাবে পলিট্যাকনিক্যাল কলেজের ছাত্র মাইনুল হাসানকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের। বিষক্রিয়ায় অচেতন হয়ে পরা ছাত্র মাইনুলকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিলে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নড়িয়া থানা পুলিশ।
নড়িয়া থানা পুলিশ ও ছাত্র মাইনুল হাসানের পরিবার এবং এলাকাবাসী জানায়, কুমিল্লা পলিট্যাকনিক্যাল কলেজ এর ম্যাকানিক বিভাগের ৩য় বর্ষে অধ্যায়নরত ছাত্র মাইনুল হাসান করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ বন্ধ থাকায় শরীয়তপুরের নিজ বাড়িতে এসে বসবাস করছিলেন। মাাইনুলদের প্রতিবেশী আব্দুর রব ঢালীর একটি মাছ ধরার চায়না দোয়াইর জাল চুরি হয় গত ১২ দিন আগে। জাল চুরির ঘটনায় চোর শনাক্তের জন্য গ্রামের মানুষদের তার বাড়িতে ঢেকে নিয়ে কবিরাজের কাছ থেকে ঝাড়ফুঁক দেয়া আটা চিনি পড়া এনে রুটি খাওয়ার আয়োজন করে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে। গ্রামের অর্ধশতাধিক মানুষের সাথে মাইনুল হাসানকেও ডেকে নিয়ে রুটি খাওয়ানো হয়।
রুটি খাওয়ার কিছুক্ষণ পড়েই বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে মাইনুল। তাৎক্ষণিক স্থানীয়দের সহযোগীতায় তার পরিবার তাকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য মাইনুলকে ঢাকায় রেফার্ড করেন হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক। মাইনুলের পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চোর শনাক্তের নামে পরিকল্পিতভাবে রুটি চিনি কিংবা পানির সাথে তাকে হত্যার জন্য বিষ খাওয়ানো হয়েছে। ছাত্র মাইনুল হাসান সৎ চরিত্রের একজন ভাল ছেলে এমন দাবি গ্রামবাসীর। হত্যায় চেষ্টাকারীদের বিচার দাবি করেছেন পরিবার আত্মীয়স্বজনসহ গ্রামবাসীরা।