
নিউজ ডেস্কঃ মোহাম্মদ নাসিম ও সাহারা খাতুনের মৃত্যুর পর সভাপতিমণ্ডলীর দুটিসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ৭টি পদ শূন্য রয়েছে। কারা আসছেন এসব পদে, দলের ভেতরে এ নিয়ে চলছে আলোচনা।নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এবং দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিতরা আসবেন এসব পদে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই দলের সভাপতি শেখ হাসিনা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন এব্যাপারে। মার্চে করোনা সংকট শুরুর পর গত চার মাসে আওয়ামী লীগের তিনজন কেন্দ্রীয় নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। এদের মধ্যে ১৩ জুন মারা যান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এর দুই দিন পর ১৫ জুন করোনায় মৃত্যু হয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের। এছাড়া, গত মাসে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।
দুই সদস্যের মৃত্যুতে ১৭ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এখন ১৫ জন। গেল ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে ফাঁকা রাখা হয় ধর্মবিষয়ক এবং শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ। কার্যনির্বাহী কমিটির দুটি সদস্য পদও থাকে শূন্য। সব মিলিয়ে কার্যনির্বাহী কমিটিতে এখন মোট শূন্য পদ সাতটি। দলের গঠনতন্ত্রের ২৪(২) ধারা অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সভাপতিকে এসব শূন্য পদ পূরণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। দলের নীতিনির্ধারকরা জানান, প্রবীণ, ত্যাগী ও পরীক্ষিতরা দলের সর্বোচ্চ ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীতে স্থান পাবেন। করোনা পরিস্থিতিতে দলের স্বাভাবিক সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ। তবে, দ্রুতই এসব পদ পূরণে সভাপতি শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান কেন্দ্রীয় নেতারা। শুধু দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শূন্য পদ পূরণই নয়, সহযোগী সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটিও শিগগিরই করার কথা জানান নীতিনির্ধারকেরা।