
নিউজ ডেস্কঃ সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ ভেঙে দুই উপজেলার ২৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লক্ষাধিক মানুষ। জেলার দ্বীপ ইউনিয়ন শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও আশাশুনির প্রতাপনগর, শ্রউলা ও সদর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের ৩২টি স্থান ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। এতে শতাধিক মাছের ঘের, ঘরবাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। প্রবল ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের পর ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে যারা আশ্রয় কেন্দ্র ছেড়ে এলকায় ফিরেছিলো আকস্মিক বাঁধ ভেঙে তাদের সেই স্বপ্ন পানিতে ভেসে গেছে ।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী জানায়, কয়েক দিনের বিরামহীন বর্ষণে আম্ফানের পর সংস্কার করা বেড়িবাঁধগুলো দুর্বল হয়ে পরেছে। নদীর পানির তীব্র চাপে বাঁধগুলো একের পর এক ভেঙে যাচ্ছে। আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর স্থানীয়রা বাঁশ দিয়ে রিং বাঁধ তৈরি করে। সংস্কার করা সেই বাঁধগুলো সব ভেঙে গেছে জোয়ারের পানির চাপে। কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহনিয়া, রুয়ের বিল, শ্রভাদ্রাকাটি, চাকলা, ঘোলা, ত্রিমোহীনি, শ্রীপুর, হিজলা, কোলা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালী, থানাঘাটা, সদর ইউনিয়নের দয়ারঘাট, থানাঘাটাসহ উপজেলার মোট ২৪টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে আউশ আমন, মাছের ঘের, বাড়িঘর হাটবাজার পানিতে ডুবে আছে ।