
নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে বিশেষ বৈঠক করেছেন সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতেই গনভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। দুই দিনের সফরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব আজ মঙ্গলবার সকালেই বিশেষ বিমানে ঢাকায় আসেন। তার এ ঢাকা সফর অনেকটাই আকস্মিক। আগামীকাল বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে তিনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন। ভারতীয় দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যেই ঢাকায় এসেছেন শ্রিংলা। সফরশেষে আগামীকাল ১৯ আগস্ট তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এটি ঢাকায় তার দ্বিতীয় সফর।
এর আগে পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করে গত মার্চে ঢাকা সফরে এসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। আর আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসা ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শ্রিংলা আগামীকাল বুধবার ফের বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসা ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আলোচনা হবে বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন।
চীনের আবিষ্কৃত করোনাভাইরাসের টিকার পরীক্ষা সংক্রান্ত অনুমোদন ঝুলে থাকার মধ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনায় যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঢাকা সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বুধবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ওই টিকার পরীক্ষার বিষয় থাকছে বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা ভারতকে অফার করব, আমাদের এখানেও যদি ট্রায়ালের সুযোগ থাকে, বুধবার ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে টিকা পরীক্ষার বিষয়েও আলোচনা হবে বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়টিরসহ অন্য টিকাগুলো যাতে বাংলাদেশ দ্রুত পেতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা হচ্ছে । বাজেটে টাকাও বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “সেটা অ্যামেরিকানদেরটা হোক, অক্সফোর্ডেরটাই হোক- তারা ইন্ডিয়াতে ট্রায়াল দিচ্ছে, এগুলোর সবগুলো কিভাবে এক্সেস আমরা পেতে পারি, দ্রুত, সে ব্যাপারে সবার সাথে আমাদের আলাপ-আলোচনা চলছে, তো সেটার পার্ট হিসাবে তাদের সঙ্গে আমরা আলাপ করব।“আমরা আলাপ আলোচনা করব, আমরা কীভাবে সবার সাথে সহযোগিতা করতে পারি। সুতরাং আমাদের যেটা সবচেয়ে সেইফ মনে হবে বা সবচেয়ে বেশি ইউজফুল মনে হবে আমরা সেদিকেই যাব। সুতরাং সব অপশনই আমাদের জন্য থাকা উচিত।”