
নিউজ ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্বালানি নীতির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রোডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় জ্বালানি বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ’ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু: জ্বালানি নিরাপত্তা ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নসরুল হামিদ বলেন, পাঁচটি গ্যাস ক্ষেত্র কিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তি রচনা করেছিলেন। তিনি পেট্রোবাংলা প্রতিষ্ঠা, পেট্রোলিয়াম অ্যাক্ট, যুক্তরাষ্ট্রের এসো ইস্টার্ন সরকারিভাবে গ্রহণ তেল ও গ্যাস খাতের বিকাশ সুগমন করেন। জাতির পিতা যেসব ইঞ্জিনিয়ারদের রাশিয়া পাঠিয়েছিলেন তারাই এখন দেশের বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।তিনি আরও বলেন, গভীর সমুদ্র থেকে পাইপলাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে বছরে এক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। তেল মজুদ সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, তেল শোধানাগারের দ্বিতীয় ইউনিট করার কাজ চলমান, সমুদ্র বন্দর থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে তেল ঢাকা পর্যন্ত পরিবহন, গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো, এলপিজি ব্যবহারের পরিধি বিস্তার এসব কাজ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে এবং করবে। তেল ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা গড়ে ২০ শতাংশ। অন্যদিকে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা গড়ে ৮০ শতাংশ। তাই ইলেকট্রিক ভ্যাহিক্যাল বা বিদ্যুৎচালিত গাড়ির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। এটি পরিবেশবন্ধব। প্রয়োজনীয় চার্জিং স্টেশন বিদ্যুৎ বিভাগ করে দেবে।