
নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের নাগরিকদের ইতালিতে প্রবেশের নিষাধাজ্ঞার সময় ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা বাকি দেশগুলো হলো- আরমানিয়া, বাহরাইন, ব্রাজিল, বসনিয়া, চিলি, কুয়েত, উত্তর মাচেদোনিয়া, মলদোভা, ওমান, পানামা, পেরু, রিপাবলিক ডোমেনিকান, কসভো, মন্তেনেগ্রো ও সার্বিয়া। করোনার দ্বিতীয় ধাপের প্রকোপ ঠেকাতে ইতালি সরকার গত শনিবার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে স্বাক্ষরিত আদেশটি গতকাল রোববার থেকে কার্যকর হয়েছে ।
নতুন এ সিদ্ধান্তে আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়াকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশসহ ১৬ টি দেশের সাথে ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা ১০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে ইতালির রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থার মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা ইউরোপিয়ান সময় অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে পরবর্তীতে এ সিদ্ধান্ত আবারো বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। ইতালির সরকার প্রতি দু'সপ্তাহ পরপর বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি রিভিউ করবে। রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে বিমান চালু হওয়ার বিষয়ে ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানালে সেটি যে কোনো সময় হতে পারে বলে ধারণা দেয়া হয়। গতকাল রোববার ইতালির একাধিক সংবাদ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয় ।
ইতালির সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে আটকে পড়া কয়েক হাজার ইতালি প্রবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়ল। যেসব প্রবাসীর ডকুমেন্টের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে তাদের রি-এন্ট্রি ভিসা নিতে হবে ইতালিতে প্রবেশের জন্য। হাজারো প্রবাসী ইতোমধ্যে তাদের কাজ হারিয়েছে বিমান বন্ধ হওয়ায়। করোনার প্রকোপ বাংলাদেশে না কমলে ইতালি প্রবাসীদের দুর্ভোগি আরও বাড়বে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইতালি সরকারের সাথে আলোচনা করে একটি উপায় বের করতে পারে বলে মনে করছেন কমিউনিটির অনেকে ।