
নিউজ ডেস্কঃ প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ধারণার পরিরবর্তন ঘটছে। বিশ্বে অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হলেও দেশে বিষয়টি আলোচনার বাইরে রয়ে গেছে। নতুন এই প্রযুক্তির নাম মল্টেন সল্ট নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়াতে কয়লা সমৃদ্ধ ‘মলটেন সল্ট রিয়েক্টর’ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের এখানেও ছোট আকারের এসব কেন্দ্র নির্মাণের কথা ভাবতে পারে সরকার। এতে বিনিয়োগ ও ঝুঁকি দুটোই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এখন নতুন নতুন অনেক রিয়েক্টর আসছে। যেগুলো এখনও গবেষণার পর্যায়ে থাকলেও কোনও কোনোটি এরমধ্যে সফল হয়েছে বলে জানা গেছে। এদের একটি হচ্ছে মলটেন সল্ট রিয়েক্টর। ইন্দোনেশিয়াতে এই রিয়েক্টর দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর উদ্যোগের কথা জানা গেছে। আবার জাপান একই রিয়েক্টর চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে রিসার্স রিয়েক্টর এবং পাওয়ার রিয়েক্টরের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রিসার্স রিয়েক্টর সাধারণত ছোট আকারের হয়। এটা দিয়ে গবেষণার জন্য কম বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। আর পাওয়ার রিয়েক্টরগুলো অনেক বড় আকারের হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এধরনের রিয়েক্টরে কঠিন জ্বালানির পরিবর্তে তরল জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। মূলত তরল জ্বালানি ব্যবহারকে নিরাপদ বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। রিয়েক্টর বা পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ উৎপদন্ন হয়। সেই তাপ দিয়ে বাস্প বা স্টিম বা বাস্প তৈরি করা হয়। স্টিমের শক্তি দিয়ে যেভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় এখানেও একইভাবে তা করা হয় ।