
নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের ব্যয় হবে ৩ হাজার ৭৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। অনুমোদিত সাত প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে নতুন করে স্থাপন করা হবে পাঁচ হাজার ডিজিটাল ল্যাব। এর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আইসিটিতে দক্ষতা বাড়ানো হবে। সেই সঙ্গে অত্যাধুনিক আইসিটি সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত স্কুল অব ফিউচার নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় কনটেন্ট তৈরি সম্ভব হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শেরেবাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের ফ্রেব্রুয়ারির মধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে আইসিটি অধিদফতর। প্রকল্পের আওতায় প্রাতিষ্ঠাকি পরামর্শকের পেছনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কম্পিউটার ও যন্ত্রাংশ কেনাকাটা বাবদ ৬৪৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, ল্যাব ও পিআইইউ স্থাপন বাবদ ১৩৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা, কম্পিউটার সফটওয়্যার কেনা বাবদ ২৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং শিক্ষা ও শিক্ষণ উপকরণ বাবদ ১৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে। এসব ল্যাবে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান, ৩০০টি স্কুল অব ফিউচার প্রস্তুত করা, পরামর্শক ফার্ম নিয়োগ, ৩৬ হাজার ২০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া, আইসিটি বিষয়ে ৬০টি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি এবং কমিউনিকেটিভ ইংলিশ বিষয়ে ৮০টি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ কেনা, ভাষাগুরু সফটওয়্যার ভার্সন-২ তৈরি, ৬৪টি সেমিনার বা কর্মশালার আয়োজন এবং বৈদেশিক ও স্থানীয় প্রশিক্ষণসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে প্রকল্পটির আওতায়।