
নিউজ ডেস্কঃ আগামী ১ আগস্ট ঈদুল আজহা। দিনটি শ্রাবণ মাসের ১৭ তারিখ। অর্থাৎ কোরবানি হবে মধ্য শ্রাবণে। আর সে কারণেই থাকতে পারে বৃষ্টিও। আবহাওয়া অফিস বলছে, ঈদের দিন সারাদেশেই বৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তেমন একটা নেই। তবে কোথাও কোথাও থেমে থেমে বর্ষণ হতে পারে। আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান বলেন, আজকে তো ২৫ জুলাই। আগামী দু’তিনদিন মোটামুটি কমে যাবে বর্ষণ। আবার এখন যে একটু কম, এই সময়ের পর বর্তমানের চেয়ে একটু বৃদ্ধি পাবে। তবে অত বড় বৃষ্টি নাই আপাতত। আগামী ২৬ ও ২৭ জুলাই বৃষ্টি নাই। ২৮, ২৯ ও ৩০ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। এরপর আবার কমবে। ‘১ আগস্ট বা ঈদের সময় ভালো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে রংপুরসহ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টি থাকতে পারে। অন্য অঞ্চলগুলোতে হয়তো তেমন থাকবে না। ঈদের দিন কোথাও রোদ থাকবে, কোথাও বৃষ্টি হবে।’
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত আছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আর মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অপেক্ষাকৃত দুর্বল অবস্থানের কারণে দেশে বৃষ্টিপাত কমেছে। মাঝে পাঁচদিন বৃষ্টিপাত বেড়েছিল। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আবার বাড়বে। যা অব্যাহত থাকবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এরপর আবার কমবে। ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ২৭ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত দার্জিলিং, আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশে অস্থায়ীভাবে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হবে। নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরাতেও ভারী বর্ষণে শঙ্কা রয়েছে। এসব অঞ্চলে বর্ষণ বাড়লে তার প্রভাব দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও পড়ে। অন্যদিকে ভারতের এই এলাকাগুলোতে অতিভারী বৃষ্টির ফলে দেশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয়। বর্তমানে দেশে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে। ভারতে বৃষ্টিপাত বাড়লে, বন্যা পরিস্থিতি ঈদের মধ্যে আরও অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।