
নিউজ ডেস্কঃ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমরা পুলিশে একটি মৌলিক পরিবর্তন আনতে চাই। একটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে জীবন্ত থাকতে হলে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আর এ পরিবর্তন হতে হবে অর্থবহ। কল্যাণকর পরিবর্তন আনতে হলে পরিবর্তন গ্রহণের মানসিকতা তৈরি হতে হবে সবার আগে। সমন্বিত প্রয়াস এবং ঐকমত্য ছাড়া লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। আইজিপির দায়িত্ব গ্রহণের শততম দিন শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের কৃষ্ণচূড়া সম্মেলন কক্ষে জনগণের পুলিশ বিনির্মাণের পথে অগ্রগতি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বেনজীর আহমেদ। পরে হেডকোয়ার্টারের সহকারী মহাপরিদর্শক এআইজি সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আইজিপি বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের এক বা একাধিক লক্ষ্য থাকে। লক্ষ্যবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠান সম্মুখের পানে এগিয়ে যেতে পারে না। আমরা বর্তমানে ২০২০ সালে আছি। আগামী ৫, ১০, ৫০ ও ১০০ বছর পরে পুলিশিং কেমন হতে পারে, তা বিবেচনায় রেখে বর্তমানের পুলিশিংকে ঢেলে সাজাতে হবে। এসব বিষয়াদি মাথায় নিয়েই বিগত একশ দিনে বিভিন্ন স্বল্প এবং দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে তা অর্জনের জন্য নানমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মাদক, দুর্নীতি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ, পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও শৃঙ্খলার বিষয়ে অধিকতর মনোযোগ দেওয়া এবং জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশকে নিয়ে যেতে বিট পুলিশিং সেবা বেগবান করার মাধ্যমে রূপকল্প ২০৪১ এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ পুলিশ। আইজিপি আরও বলেন, পরিবর্তন করতে হলে আমাদের সবাইকে মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ পরিবর্তন হতে হবে অর্থবহ। ফলে দেশ উপকৃত হবে। জনগণ উপকৃত হবে। পুলিশ প্রধান বলেন, গত ১০০ দিনে আমরা অনেক টার্গেট ফিক্স করেছি। এ টার্গেট অর্জন করতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আইজিপি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা আমাদের কাজ দিয়ে দেশের মানুষের কাছে পরিচিত হই। আমাদের দক্ষতা দিয়ে পরিচিত হই। মানুষকে ভালোবেসে পরিচিত হই। আমরা দেশের কল্যাণে জনগণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করি।