News71.com
 Bangladesh
 23 Jul 20, 06:50 PM
 215           
 0
 23 Jul 20, 06:50 PM

এবারের বন্যায় কুড়িগ্রামে এপর্যন্ত ১২ শিশুর মৃত্যু॥

এবারের বন্যায় কুড়িগ্রামে এপর্যন্ত ১২ শিশুর মৃত্যু॥

নিউজ ডেস্কঃ বন্যা কবলিত এলাকায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। বন্যাকবলিত এলাকায় শিশুদের সুরক্ষায় সরকারি বা বেসরকারি সংস্থার নেই কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি। প্রয়োজন শিশু সুরক্ষায় বন্যার সময়ে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা। শুধুই প্রয়োজন জনসচেতনা। গত পাঁচ বছরে কুড়িগ্রাম জেলায় শুধু বন্যায় পানিতে ডুবে ৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৫৭ জনই শিশু। জেলায় চলতি বছর বন্যায় পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে শিশুর সংখ্যা ১২। কুড়িগ্রাম ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ সূত্রে জান গেছে, ২০১৯ সালের বন্যায় জেলায় ২১ জন মারা যায়। তারমধ্যে ১৬ জনই ছিল শিশু। ২০১৮ সালে পানিতে ডুবে কোনো মৃত্যুর খবর ছিল না। ২০১৭ সালে সর্বোচ্চ ৩০ জনের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২০ জন। ২০১৬ সালে আট জনের মৃত্যু হয় এরমধ্যে শিশু ছিল ছয় জন। ২০১৫ সালে একজনের মৃত্যু হয়। আর সেও ছিল শিশু।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জুন থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বন্যার পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ১২ জনই শিশু। ওই শিশুরা হলো: শান্ত মিয়া (১০), বেলাল হোসেন (৫), মুক্তাসিন (১৪ মাস), কথা রায় (২), জাহিদ (১২), সুচরিতা (২), মাহিদ (১৭ মাস), লামিয়া খাতুন (২), কেয়া আক্তার মীম (১০), মুন্নি (১৮ মাস), লাদেন (৭) ও বায়েজিদ (৮)। অন্যরা হলেন- জামাল ব্যাপারী (৫৫), সৈয়দ আলী (৭০), সুরুজ্জামান (৪৩)। সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান শুধু পানিতে ডুবে ১২ জন শিশুর মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। শুধুমাত্র জনসচেতনতার মাধ্যমে এ মৃত্যুর মিছিল থামানো সম্ভব। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগ জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সব চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন