News71.com
 Bangladesh
 22 Jul 20, 12:32 PM
 637           
 0
 22 Jul 20, 12:32 PM

পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফি মিজানের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ॥  

পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফি মিজানের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ॥   

নিউজ ডেস্কঃ দেশের প্রথিতযশা ধনাঢ্য ব্যবসায়ি, পিএইপি গ্রুপের চেয়ারম্যান , বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউআইটিএস এর ট্রাস্টি বোর্ডের প্রধান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ করেছেন এসার্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড কনস্ট্রাকশন লিঃ এর চেয়ারম্যান এন্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আলহাজ শওকত হাসান মিয়া। অভিযোগ সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তার মালিকানাধীন রাজধানীর বারিধারাস্থ প্রগতি স্মরনী সংলগ্ন জামালপুর টুইন টাওয়ার -০২ এর ১৮ তালা বিশিষ্ঠ ভবন ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন টেকনােলজি এন্ড সাইন্স - ইউ আই টি এস এর জন্য ভাড়া নিয়ে প্রায় ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বকেয়া রেখে চলে গেছেন। পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাকে বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা করে সুকৌশলে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। আর এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তিনি পড়েছেন আরও বিপাকে। টাকা না দেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে ইউ আইটিএস কতৃপক্ষ শওকত হাসান মিয়ার নামে পাওনা বাড়ি ভাড়ার প্রায় সমপরিমান টাকার চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানী করাচ্ছে বলে অভিযোগ। ভূক্তভোগী ব্যবসায়ি শওকত হাসান এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবরে সুবিচার ও প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবরে দেয়া লিখিত অভিযোগে শওকত হাসান মিয়া জানান তার মালিকানাধীন বারিধারাস্থ জামালপুর টুইন টাওয়ার -২ এর ১৮ তালা বিশিষ্ঠ ভবনটি তিনি ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন টেকনােলজি এন্ড সাইন্স - ইউ আই টি এস কে গত ০১/০১/২০১০ ইং হইতে ৩১/১২/২০১৯ ইং সাল পর্যন্ত ১০ বছরের চুক্তিতে ভাড়া প্রদান করেন । উক্ত সময় শেষে প্রাপ্ত বকেয়া ভাড়া প্রদান না করেই ইউআইটিএস ভবন ত্যাগ করে। ভূক্তভোগী শওকত হাসান মিয়া বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের জন্য বার বার চেষ্টা করলেও ইউ আই টি এস কর্তৃপক্ষ কোন সাড়া দেয়নি । এমতঅবস্থায় তিনি বাড়ি ভাড়া গ্রহীতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বাের্ডের চেয়ারম্যান সুফী মােহাম্মদ মিজানুর রহমানকে বিবাদী করে ০৮/১২/২০১৯ ইং তারিখে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি আর ৪১১২/২০১৯ এবং সি আর ৪১১৩/২০১৯ নং মামলা দায়ের করেছেন।

 

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা আমলে নিয়ে সমন জারী করেছেন । এমতবস্থায় বিবাদীগন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে শওকত হাসান মিয়ার প্রাপ্ত টাকা ৫৭,৫৯,৭১,৮২৮ / - পরিশােধ না করে মামলার প্রায় একমাস পর গত ০২ জানুয়ারী ২০২০ ইং তারিখে ইউ এই টি এস কর্তৃপক্ষ শওকত হাসান মিয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা থানায় হয়রানিমূলক মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং- ০২ । আর মামলার পরপরই পিএইচপি গ্রুপ প্রভাব খাটিয়ে ঐ রাতেই পুলিশকে নগ্নভাবে ব্যবহার করে শওকত হাসান মিয়ার বাসায় তল্লাশি চালায় এবং হুমকি প্রদর্শন করে তল্লাশির নামে ভাঙচুর চালায় । এসময় তান্ডবের মধ্যে নগদ অর্থ সহ কিছু স্বর্ণালংকার খােয়া যায় । রাতের আধারে আগস্মিকভাবে এ ধরনের পুলিশি তান্ডবে তার ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে নষ্ট হয় । এমতাবস্থায় তিনি হয়রানীমুলক মামলা ও পুলিশি নির্যাতন থেকে পরিত্রান পেতে এবং ন্যায্য পাওনা অর্থ বুঝে পেতে আইনগত সহায়তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির দারস্থ হয়েছেন।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন