
নিউজ ডেস্কঃ আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম ওরফে মো. শাহেদ টকশো, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ভাঙানো আর হাসপাতাল ব্যবসা করেই ওপরে উঠে আসেন। বিভিন্ন স্থানে সুবিধাজনক পরিচয় দিতেন শাহেদ করিম। কখনো তিনি নিজেকে আমলা, সামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী-নেতাদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিয়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তোলা ছবি ব্যবহার করে তিনি নিজেকেও প্রভাবশালী বলে তুলে ধরতেন।এদিকে করোনা টেস্ট প্রতারণা নিয়ে শাহেদের বিতর্কিত কাণ্ড নিয়ে এবার বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাপানের বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা। শনিবার (১৮ জুলাই) পত্রিকাটি শাহেদকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাপানের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা মাইনিচি।পত্রিকাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিককে টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করায় হাসপাতাল মালিককে গ্রেফতার। শুধু শাহেদ একাই নয়, বাংলাদেশের বেশ কিছু হাসপাতাল এই অসাধু উপায় অবলম্বন করছে।বার্তা সংস্থার এপি'র বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে যে, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দলের সদস্য শাহেদ নিয়মিত দেশটির বিভিন্ন টেলিভিশন শো’তে অংশ নিতেন। করোনা টেস্ট প্রতারণা নিয়ে শাহেদের বিতর্কিত কাণ্ড নজরে আসায় প্রতিবেশী ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে সে নয় দিন আত্মগোপনে ছিল।