
নিউজ ডেস্কঃ ৫৫ বছর পর বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করে ত্রিপুরা ও আসাম যাচ্ছে ভারতীয় একটি মালবাহী জাহাজ। আজ বৃহস্পতিবার পরীক্ষামূলকভাবে নৌপথে পণ্য পরিবহন শুরু হয় কলকাতা থেকে জাহাজটির যাত্রা শুরুর মধ্য দিয়ে। ভারতীয় এক সূত্র জানায়, এটি পরীক্ষামূলক চলাচল। এই অগ্রগতি খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ ১৯৬৫ সালের পর এই প্রথম ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রানজিট হিসেবে বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। এক খবরে বলা হয়েছে, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এই ট্রানজিট বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই কয়েক বছর ধরে এই সংযোগ পুনরায় চালুর চেষ্টা করছিল। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, বাংলাদেশের বন্দর হয়ে ভারতীয় কার্গোর ট্রানজিট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করছে দিল্লি ।
কলকাতা বন্দর থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজটির যাত্রা শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী মানসুখ মান্দাভিয়া। তিনি বলেন, ‘এই রুটটি বাংলাদেশ হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে যুক্ত করার একটি সংক্ষিপ্ত পথ সৃষ্টি করবে’। তিনি জানান, এর মধ্যদিয়ে ইন্দো-বাংলাদেশের নৌপথে সহযোগিতার নতুন যুগের সূচনা হলো। এক সূত্র জানায়, ট্রানজিটের অনুমতি দেওয়া প্রতিবেশী দেশের জন্য সব সময় স্পর্শকাতর ইস্যু। কারণ ভারতবিরোধী অংশ সর্বদা এমন উদ্যোগকে ভেস্তে দিতে চেয়েছে। এছাড়া, ভারতপন্থী বলে শেখ হাসিনার সমালোচনাও হয়। ফলে তার সরকার ট্রানজিটের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবশ্যই স্বাগত জানানোর মতো উদ্যোগ।