
নিউজ ডেস্কঃ গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির হার কিছুটা কমলেও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ইতোমধ্যে জেলার সোয়া দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বাঁধ ও রাস্তাঘাট। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ৯টায় যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। কাজিপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২১ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম জানান, সকালে যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৩৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত। ২৪ ঘণ্টায় ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
অপরদিকে কাজিপুরের মেঘাই পয়েন্টে রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৪৬ মিটার, যা বিপৎসীমার ১২১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টা যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এদিকে যমুনার পানি বৃদ্ধির হার অনেকটা কমলেও অভ্যন্তরীণ নদী ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে ধেয়ে আসছে বন্যার পানি। জেলার সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও উল্লাপাড়া উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের ২২৪টি গ্রামে ঢুকে পড়েছে বন্যার পানি। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় সোয়া দুই লাখ মানুষ। সদর উপজেলার সয়দাবাদ ও কাজিপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর, তেকানি ও শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়াও জেলার অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।