
নিউজ ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ও ছেলেকে কুপিয়ে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন হারেছ (৪৫) নামে এক রিকশাচালক। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় হারেছের পনের বছরের কিশোর ছেলে সোহাগের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে হারেছ ও তার স্ত্রী মনোয়ারা (৩৫) গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পেশায় রিকশাচালক হারেছ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকার শাহ্ আলম মিয়ার টিনশেড বাড়ির একটি ঘরে ভাড়া থাকতেন। স্ত্রী ও ছেলে হোসিয়ারি শ্রমিক এবং মেয়ে বিথি (১২) পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে।পারিবারিক বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। এরই জের ধরে মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে আবারো ঝগড়ার এক পর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে ছেলে ও স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন হারেছ। পরে নিজের পেটে ছুরি বসিয়ে দিয়ে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি।বাড়ির মালিক শাহ্ আলম মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম জানান, তারা নিজে এই বাড়িতে থাকেন না। তাদের পাঁচটি ঘরে তিনজন ভাড়াটিয়া থাকেন। একটি ঘরে পরিবার নিয়ে থাকতেন হারেছ। রাতে বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ভাড়াটিয়া পান্না মারফত ঘটনার খবর পেয়ে ভোরে তিনি এখানে আসেন।