
নিউজ ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতিতে নগরবাসীর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিবেচনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বসতে পারে কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাট। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে এবার হাট না দিয়ে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে হাট চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে ডিএনসিসি। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ইক্যাবের সহযোগিতায় পশু এবং পশুর মাংসের দেওয়া হবে ‘হোম ডেলিভারি’।আসছে ঈদ উল আজহা কেন্দ্র করে নিজেদের এলাকায় ১০টি পশুর হাট স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল ডিএনসিসির। এ লক্ষ্যে ইজারার দরপত্র আহ্বান করে প্রস্তাবও নেওয়া হয়েছে। তবে সেখান থেকে হাটের সংখ্যা কমিয়ে সাতটিতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। পশুর বিকিকিনির চাহিদা মেটাতে তাই পরিকল্পনা রয়েছে অনলাইনে ডিজিটাল হাট পরিচালনার।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, পূর্ব নির্ধারিত ১০টি হাটের মধ্যে ছিল মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং হাট, আগারগাঁও, ৩০০ ফিট এলাকার ডুমনি, উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর ব্রিজের পশ্চিম অংশে ও ২ নম্বর ব্রিজের পশ্চিমে গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের ফাঁকা জায়গা, মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী সড়কসংলগ্ন (বছিলা), ভাসানটেক, মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড-৬-এর (ইস্টার্ন হাউজিং) খালি জায়গা, ভাটারা (সাঈদনগর) পশুর হাট, মিরপুর ডিওএইচএসের উত্তর পাশের সেতু প্রপার্টি ও সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠ, বাড্ডার ইস্টার্ন হাউজিং (আফতাবনগর) সড়কের হাট ইত্যাদি।তবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হওয়ায় এগুলোর থেকে তিনটি হাট বাদ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- ভাসানটেক, ইস্টার্ন হাউজিং এবং আফতাব নগরের হাট। উত্তরার সবগুলো হাট মিলিয়ে বৃন্দাবন এলাকায় একটি হাট হবে। অর্থাৎ ইজারা পেতে যাওয়া হাটগুলো হচ্ছে, মোহাম্মদপুরের বছিলা, কাওলার হাট, ৩০০ ফিট সড়কের ডুমনি হাট, ভাটারার সাঈদ নগর হাট এবং উত্তরার বৃন্দাবন। এছাড়াও থাকছে গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাট।