
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশে করোনা সংকটের শুরু থেকেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় কক্সবাজার শরণার্থী শিবিরে সম্ভাব্য মহামারি মোকাবিলায় কাজ করছে মানবিক সহায়তা কাজে নিয়োজিত সংস্থাগুলো। স্বাস্থ্যসেবার নতুন নতুন প্রয়াসের মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত সরঞ্জামাদি এবং করোনা আক্রান্তদের জন্য যথাযথ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্বলিত নতুন নতুন সিভিয়ার একিউট রেস্পিরেটরি ইনফেকশন (এসএআরআই-গুরুতর তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ) আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার (আইটিসি) নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া চলমান স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো নির্মাণ এবং পুনর্নির্মাণ করার কাজও চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম-জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা) দুইটি এসএআরআই আইটিসি নির্মাণ করেছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে। যেখানে স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে। শনিবার (২৭ জুন) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইওএম বিষয়টি জানায়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকনাফের লেদার ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং উখিয়ার ক্যাম্প ২ (ডব্লিউ)-তে নির্মিত এই দুইটি বিশেষায়িত কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে বর্তমানে ৪৭টি এসএআরআই আইটিসি শয্যা রয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যেই স্বাস্থ্য সেবাসহ শয্যা সংখ্যা ১১০-এ উন্নীত করা হবে। এই দুইটি করোনা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে জেলায় আইওএম-এর সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া শিগগিরই উখিয়ার কুতুপালংয়ে ক্যাম্প ২০ (এক্সটেনশন)-এ আরও একটি ১২০-শয্যার এসএআরআই আইটিসির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।