
নিউজ ডেস্কঃ কুড়িগ্রামে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের নদের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদ-নদী অববাহিকার প্রায় ২ শতাধিক চরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।শুক্রবার (২৬ জুন) ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুর ও রাজারহাট উপজেলার নদ-নদী তীরবর্তী নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফলে এসব এলাকার চর-দ্বীপচরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে মৌসুমি ফসল ও সবজি ক্ষেতগুলো।
এসব এলাকার কাঁচা সড়কগুলো ডুবে যাওয়া মানুষ কলাগাছের ভেলা বা নৌকায় করে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী সরকার জানান, ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় এই ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বেশকিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে অন্তত দুই হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুরে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। আগামী কয়েকদিন এই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এতে জেলার সদর উপজেলাসহ নাগেশ্বরী, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার বেশকিছু স্থান মাঝারি আকারে বন্যা কবলিত হয়ে পড়বে।