
নিউজ ডেস্কঃ এমপি পাপুল কাণ্ডে তোলপাড় শুরু হয়েছে কুয়েতে ও বাংলাদেশে। মানবপাচারে ঘুষ দেয়ার অভিযোগ স্বীকার করার পর, কুয়েত সরকারের দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এমপি পাপুলের সঙ্গে কুয়েত সরকারের ৩৪টি চুক্তির খবর দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। আর বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে এখনই কোন মামলা না হলেও তদন্ত করছে সিআইডি, দুদকসহ তিনটি সংস্থা।মানব সেবার কথা বলে বিপুল পরিমাণ টাকা ঢেলে বিগত জাতীয় নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর দুই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কাজী শহিদুল ইসলাম পাপুল। অভিযোগ আছে, রাজনীতির মাঠে সক্রিয় না হয়েও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে টাকা দিয়ে বসিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিনে নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় দলীয় নেতাদের।
মানবপাচারের অভিযোগে গত ৬ জুন কুয়েতে সংসদ সদস্য পাপুল গ্রেফতারের পর দেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।দেশে-বিদেশে দেড়হাজার কোটি টাকার মালিক পাপুলের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি ও দুদক। এরইমধ্যে তার স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকার ব্যাংক হিসেব তলব করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে দেশ ত্যাগের। দুদক চেয়ারম্যান বলছেন,পাপুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগটি খতিয়ে দেখছেন তারা। আর সিআইডি দেখছে মানবপাচারের বিষয়টি। দুটি ক্ষেত্রে অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে সংস্থা দুটি।দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, মানবপাচারের বিষয় আমরা দেখব না। কারণ সেটা আমাদের দায়িত্বে নেই। তবে তিনি সাংসদ হিসেবে অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে তা আমরা দেখব। ব্যাংকে যা কিছু আছে সবই আমাদের তদন্তে আসবে।