
নিউজ ডেস্কঃ লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যা ও মানবপাচারের ঘটনায় পৃথক দুই মামলায় দুজনকে দ্বিতীয় দফায় সাতদিন করে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অপর একজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে যাওয়া দুজন হলেন-বাদশা মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া। গত ৮ জুন এ দুজনসহ তিনজনকে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন আদালত। রোববার জাহাঙ্গীর ও বাদশাকে সেই রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে ফের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গফফারুল আলম। আরেক আসামি লিয়াকত শেখ ওরফে লেকুকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখার আবেদন করেন অপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই আবুল বাশার মিয়া। শুনানি শেষে বিচারক জাহাঙ্গীর ও বাদশার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর লেকুকে কারাগারে পাঠাানার আদেশ দেন।
গত ৭ জুন গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের হেফাজতে থাকা চারটি পাসপোর্ট, দু’টি মোবাইল ফোন ও টাকার হিসাব সংবলিত দু’টি নোট বুক উদ্ধার করে। এর আগে গত ২ জুন সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) এএইচএম আবুল ফজল বাদী হয়ে মানবপাচার ও হত্যার অভিযোগে ৩৮ জনকে আসামি করে পল্টন থানায় আরেকটি মামলা করেন। লেকু সেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পরদিন ৩ জুন রাতে ১৬ জনের নাম উল্লেখ পল্টন থানায় মানবপাচার ও সন্ত্রাস দমন আইনে অপর একটি মামলা দায়ের করেন লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার রকিবের বাবা মান্নান মুন্সি। মামলাটির তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের সময় লিবিয়ার মিজদাহ শহরে গত ২৮ মে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ১১ বাংলাদেশি মারাত্মকভাবে আহত হন। ওই ঘটনা দেশ-বিদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।