
নিউজ ডেস্কঃ উপকূলীয় এলাকায় কৃষক যাতে নিজেদের জমিতে ফসল উৎপাদন করতে পারে প্রস্তাবিত বাজেটে সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা দেশের উপকূলবর্তী এলাকার জন্য কক্সবাজার থেকে শুরু করে সাতক্ষীরা পর্যন্ত এলাকার প্রায় ২০ লাখ হেক্টর জমিতে মাত্র একটি ফসল হতো। এজন্য তারা লবণসহিষ্ণু জাত আবিষ্কার করেছে। আগামী রবি মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি চলছে। বিনামূল্যে চাষিদের জন্য উপকরণ হিসেবে আমরা বীজ, সার ও প্রযুক্তি দেবো। যাতে কৃষকরা আম্পান ও করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে।শুক্রবার (১২ জুন) বাজেটোত্তর অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে কোভিড-১৯ মহামারির ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
এরমধ্যেই গতকাল জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করতে হয়েছে। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, স্থবিরতা ও একটা মহামন্দার কথা চিন্তা করতে হচ্ছে। তাপরও আমরা সামনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। আমাদের ২০২০ থেকে ২০৪১ ভিশন ও এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সামনে নিয়েই বাজেট হয়েছে। ‘গত তিন মাস কোভিডের কারণে অর্থনীতির অনেক ক্ষতি হয়েছে। গত অর্থবছরের আমাদের তেমন অর্জন হয়নি। আগামী অর্থবছরের কার্যক্রম সাধারণত শুরু হয় সেপ্টেম্বরের পর থেকে। আমি বিশ্বাস করি কোভিড আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে। তখন আমরা আগের অবস্থায় ফিরতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। বাজেট বাস্তবায়নেও কাজ করে যাবো।’