News71.com
 Bangladesh
 09 Jun 20, 10:01 PM
 331           
 0
 09 Jun 20, 10:01 PM

নেত্রকোনা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদক॥  

নেত্রকোনা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদক॥   

নিউজ ডেস্কঃ নেত্রকোনা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিমের দুর্নীতির আভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রবিবার বেলা ৩টা থেকে দুদকের একটি তদন্ত দল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ— তিনি ভ্যাট কাটার নামে ঘুষ নিয়েছেন, ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে শিক্ষক বদলি, টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে সংযুক্তিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একই বিদ্যালয়ে বছরের পর বছর থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ৫ দফা অভিযোগ দায়ের করেন ২৮ জন শিক্ষক। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাবাদের পর অভিযোগকারী ২৮ শিক্ষককেও আলাদাভাবে ডেকে নিয়ে কথা বলেছে দুদকের তদন্ত দল। দুদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা এবং নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওবায়দুল্লাহ শাহীন এসব তথ্য জানিয়েছেন ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা ও অভিযোগকারী শিক্ষকরা জানান, গত বছরের ১ এপ্রিল নেত্রকোনা সদর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকসহ মোট ২৮ জন শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। পরে দুদক অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টির প্রাথমিক তদন্তভার নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেন। দুদকের নির্দেশে গত রবিবার থেকে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযোগকারী শিক্ষকদের মধ্যে জাহানারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ পারভীন বলেন, 'বিজয় দিবসের ফুল কেনার জন্য প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্দ দুই হাজার টাকা থেকে সাতশ' টাকা করে রেখে দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। তিনি সরকারি নীতিমালা অনুসরণ না করেই অনেক শিক্ষককে বদলি করেছেন। এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে, কিন্তু কোনও শিক্ষক ভয়ে এগুলো বলেননি। আমরা গত রবিবার সব প্রমাণাদি জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে দিয়ে এসেছি ।'

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন