
নিউজ ডেস্কঃ রেডজোনে মোবাইল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে জনসাধারণের চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হবে। ঢাকায় সবশেষ ১৪ দিনে ১ লাখে ৩০ জন বা তার বেশি এবং জেলা ও উপজেলায় ১০ জন বা তার বেশি সংক্রমিত হলে সেই এলাকাকে রেডজোন বলে গণ্য করা হবে। আইইডিসিআর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সময় সংবাদকে এ তথ্য জানান। এদিকে, সরকারি ওয়েবসাইটে লকডাউন সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ না করায় বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মহামারীর সময় নির্ভুল তথ্যপ্রবাহ অন্য সব কিছুর মতই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।আইইডিসিআর জানাচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে দু'একদিনের ভিতর ঢাকার ওয়ারী ও রাজাবাজার এলাকাকে রেডজোন ধরে লকডাউন করা হবে। তবে, সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা অনুযায়ী গ্রিন, ইয়োলো ও রেড জোনে ভাগ করা হলেও, ঢাকা ও পুরো দেশের জন্য মানদণ্ড হবে আলাদা।জানানো হয়, কোনো এলাকায় যদি প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ৩০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায় তাহলে ওই এলাকা রেড জোনে অবস্থান করবে। ৩ থেকে ২৯ পর্যন্ত হবে ইয়েলো জোন। অন্য সব এলাকা গ্রিন জোন। ঢাকার বাইরে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে কোন এলাকায় ১ লাখের মধ্যে ১০ জন তার বেশি করোনা রোগী থাকলে সেই এলাকাও রেড জোনের আওতায় ধরা হবে। ৩ থেকে ৯ পর্যন্ত ইয়েলো জোন। অন্য সব এলাকা গ্রিন জোন।