
নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হলেও গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত নানা নির্দেশনা মানা সাপেক্ষে সরকারি অফিস খুলে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা রেড জোনে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে আসতে হবে না বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। আজ বুধবার গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি। এ সময় ২৫ শতাংশের বেশি কর্মকর্তাদের অফিসে আসার দরকার নেই বলেও জানান ফরহাদ হোসেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী যারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা রেড জোনে বসবাস করেন তাদের আপাতত সচিবালয়ে আসার দরকার নেই। আমরা ইতোমধ্যে বলেছি, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মকর্তাদের অফিসে আসার দরকার নেই। বাকিরা বাসায় থেকে কাজ করবেন। গত মার্চের শেষ দিক থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে সাধারণ ছুটি দিয়েছিল সরকার। এবার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে সবকিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর মধ্যে যাতে ভাইরাস নতুন করে ছড়িয়ে না পড়ে এ জন্য সরকার কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে।
সরকারের এই পরিকল্পনার আওতায় সারা দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সাধারণ ছুটির পর সীমিত পরিসরে অফিস খোলার দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক শেষে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার কথার পরিপ্রেক্ষিতে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আপাতত ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরকে আমরা রেড জোন বলছি। আবার ঢাকারও পুরোটা রেড জোন হয়ত হবে না। এখানে সংক্রমণের হার কমবেশি রয়েছে। রেড জোনকেও ছোট ছোট এলাকায় ভাগ করা হবে। তা না হলে তো কার্যক্রম থমকে যাবে। কোথায় কতজন আক্রান্ত আছে সেটা ম্যাপিং করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ একটি ম্যাপ জমা দিয়েছে। এ সময় প্রতিদিন পরিস্থিতির সঙ্গে ম্যাপও পরিবর্তন হবে বলেও জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, ‘আক্রান্ত পরিস্থিতি অনুযায়ী ম্যাপের বিভিন্ন এলাকা রেড হবে, ইয়োলো হবে, গ্রিন হবে। সফটওয়্যারটা রেডি। এখন ডিসিশনটা নিয়ে আজ-কালকের মধ্যে বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়ে যাবে।’