
নিউজ ডেস্কঃ প্রতি বছর মে, জুন, জুলাই এ তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব প্রকার মৎস্য আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাত করণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর ওই তিন মাসে নৌ পুলিশ ও বিএফডিসি, রাঙামাটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল, জলযান ও বেআইনি ভাবে ধৃত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জব্দ করে যাচ্ছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছে।যার ফলশ্রুতিতে কাপ্তাই হ্রদ দিন দিন মৎস্য উৎপাদন ও আহরণের পরিমাণ এবং এর সঙ্গে অর্জিত আয়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬৬ প্রজাতির দেশীয় মাছ এবং ৬ প্রজাতির বহিরাগত মাছ রক্ষায় এ বছর রাঙামাটি সদর, মাইন্দার মুখ, বালুখালী; বুড়িহাট, কাপ্তাই চেকপোস্ট ও মহালছড়ি চেকপোস্টে নৌ পুলিশের প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১০৫৭৭.৭৬ যার আর্থিক মূল্য ছিল ১৩.৫০ কোটি টাকা। ২০১৯-২০২০ বছরে (মে পর্যন্ত) ১২৬৯৪.৮১ টন মৎস্য উৎপাদন হয় যা থেকে অর্জিত অর্থের পরিমাণ ১৬.১৬ কোটি টাকা। সেই অনুপাতে ২০২০-২০২১ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ১৫২৩৪ টন, মূল্যমান ১৯.৪০ কোটি টাকা ।নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম ২০২০-২০২১ এর কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য উৎপাদন সম্পর্কে বলেন, নৌ পুলিশ কাপ্তাই লেকে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এবং এর উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর তৎপর এবং নৌ পুলিশ সদস্যের এই অভিযানিক তৎপরতা এ বছর ১৯,০০০ টন মাছ উৎপাদনে সহায়তা করবে এবং আশা করা যায় প্রায় ২৪ থেকে ২৫ কোটি টাকা অর্জিত হবে। মৎস্য, নদী এবং পরিবেশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান চলবে।