News71.com
 Bangladesh
 01 Jun 20, 10:38 AM
 295           
 0
 01 Jun 20, 10:38 AM

লিবিয়ায় গুলিতে নিহতের ঘটনায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় মানব পাচারকারীদের নামে মামলা॥

লিবিয়ায় গুলিতে নিহতের ঘটনায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় মানব পাচারকারীদের নামে মামলা॥

নিউজ ডেস্কঃ লিবিয়ায় গুলিতে ভৈরবের ৮ জনের জনের মৃত্যুর ঘটনায় ভৈরব থানায় একটি মানব পাচারের মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার (৩১ মে) দুপুরে লিবিয়ায় নিহত সাদ্দাম হোসেন আকাশের বড় ভাই মোবারক হোসেন বাদী হয়ে ৭ জন আসামির নাম উল্লেখ করে মানবপাচার, মুক্তিপণ, মারধোর হত্যা সহ বিভিন্ন ধারায় এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় মানবপাচারকারী দালাল চক্রের পান্ডা ভৈরবের তারজিরুলকে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৭-৮ জনকে (মামলা নাম্বার ৪৫)। এদিকে বিদেশ পাঠানো ও লিবিয়ায় নিহত হওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করতে ঢাকার সিআইডির অর্গানাইজ ক্রাইম টিম শনিবার (৩০ মে) রাতে ভৈরব থানায় এসে তদন্ত শুরু করেছে। সিআইডির টিম প্রধান পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান ঘটনাটি তদন্ত করতে গিয়ে ভৈরবের শ্রীনগর গ্রামের মানবপাচারকারী দালাল তানজিরুলের বড় ভাই মো. বাচ্চু মিলিটারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন মিয়া নিউজ৭১ ডটকমকে জানান, লিবিয়ার ঘটনায় থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৬/৭/৮/১০ ধারাসহ ৩২৬/৩০২/৩০৭/৩৪ ধারায় মামলা হয়েছে। ঘটনাটি রাষ্ট্রীয় ঘটনা। পুলিশের হেডকোয়াটার বিষয়টি সিআইডি, ডিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের দিয়ে মনিটরিং ও তদন্ত করছে। খুব দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, অভিবাসীরা লিবিয়ার মিজদা শহরের এক মানবপাচারকারীর কাছে জিম্মি ছিলেন। মানবপাচারকারীরা গত ২৮ মে জিম্মি অভিবাসীদের ক্যাম্পে নির্বিচারে গুলি চালালে ঘটনাস্থলে ২৬ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৩০ জন মারা যান। এই ঘটনায় আরো ১১ জন বাংলাদেশি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে দেশটির জিনতান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। নিহত ২৬ বাংলাদেশীর মধ্যে ৮ জনই কিশোরগঞ্জের ভৈরবের। তারা স্থানীয় দালাল তানজিরুল, জাফর সহ অন্যান্যের প্ররোচনায় ইতালী যেতে লিবিয়া গিয়েছিল।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন