
নিউজ ডেস্কঃ আজ ৩০ মে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন তিনি। শোকাবহ এই দিনটি স্মরণে বিএনপি ১২ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।করোনা ভাইরাসের মহামারির কারণে প্রতি বছরের মতো সর্বব্যাপী কর্মসূচি পালন করতে পারছে না দলটি। ভার্চুয়াল আলোচনা সভা, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, বস্ত্র বিতরণ ও আর্থিক সহযোগিতাসহ কিছু সীমিত কর্মসূচি নিয়েছে দলটি। রাষ্ট্রপতি জিয়া খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্ট বাংলা রেজিমেন্ট-ইপিআরের বাঙালি পল্টনের মেজর ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। এবং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিব তাকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দেন। এরপর তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান হন। ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশের প্রধান সেনা প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার হাত ধরেন স্বাধীন বাংলাদেশে সামরিক শাসনের অধ্যায় শুরু হয়। তিনি প্রথমে জাতীয় গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) এবং ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি গঠন করেন।
করোনা মহামারির কারনে বিএনপি’র এবারের আয়োজনে যথেষ্ট ভিন্নতা রয়েছে । আজ ৩০ মে ভোর ৬টায় দলের নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। একই দিন সকাল ১১টায় দলের মহাসচিবসহ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন। বিকাল সাড়ে ৩টায় ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হবে। এরপর আগামী ১০ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন গণমাধ্যম ও সামাজিক গণমাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ।