
নিউজ ডেস্কঃ ঈদের ছুটির পর করোনা আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ার আশঙ্কা করা হলেও হাসপাতালগুলোতে নেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি। করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীর সম্ভাব্য সংখ্যা বিবেচনায় হাসপাতালকে এখনই প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঈদ শেষে সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে বাড়ি ফেরা মানুষের এবার ঢাকা ফেরার পালা। ধারণা করা হচ্ছে, জীবিকার তাগিদেই কয়েকদিনের মধ্যেই ঢাকামুখী হবে মানুষের ঢল। ঢিলেঢালা লকডাউনের সঙ্গে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ে সংক্রমণের হার আগের সব রেকর্ড ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সামনের দিনগুলোতে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থাকায় বাড়বে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও। ইতোমধ্যেই পূর্ণ হওয়া কোভিড হাসপাতালগুলো বাড়তি রোগীর চাপ কতটা নিতে পারবে সে নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
রিউমাটোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক বলেন, 'হাসপাতালগুলোকে বেশ চাপ সামলাতে হবে। তারমধ্যে একটা করোনা, ডেঙ্গু অথবা দুইটাতেই যারা আক্রান্ত।' সংকট সমাধানে সরকারি তত্ত্বাবধানে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এখনই প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিলেন রিউমাটোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক। তিনি আরো বলেন, 'বড় বড় প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে করোনা চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে।' এখন পর্যন্ত কোনো রোগী ভর্তির অনুমতি না পেলেও সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমেদ।