News71.com
 Bangladesh
 23 May 20, 05:53 PM
 224           
 0
 23 May 20, 05:53 PM

খাবার জলের সংকটে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বাসীন্দারা॥

খাবার জলের সংকটে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বাসীন্দারা॥

নিউজ ডেস্কঃ ভেঙে পড়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুপেয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। লবণাক্ত জল লোকালয়ে প্রবেশ করায় নষ্ট হয়েছে খাবার জলের উৎস। ফলে দূর দূরন্ত থেকে কিনে আনতে হচ্ছে সুপেয় জল। একই অবস্থা এলাকার স্যানিটেশন ব্যবস্থারও। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে লন্ডভন্ড দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা। ধীরে ধীরে যেন আঘাতের চিহ্ন ফুটে উঠছে সর্বত্র। বড় বিপর্যয়ের নাম সুপেয় জলের তীব্র সংকট। পুকুর বা জলাশয় এবং বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে ব্যবহার করতে হয় এলাকার মানুষকে। তার ওপর ঘূর্ণিঝড়ে লবণ পানি প্রবেশ করায় সুপেয় পানির উৎসগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। শ্যামনগরে ১৮টি সুপেয় মিষ্টি জলের পুকুর এখন লবনাক্ত জলের নিচে। দুর্গত এলাকার মানুষদের তাই দূর থেকে জল কিনে আনতে হচ্ছে দুবেলা খাওয়ার জন্য।

অন্যদিকে নদীর জল মিলে মিশে একাকার হয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। এতে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে উপজেলার বিশাল এক জনগোষ্ঠী। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী আরশাদ আলী জানান, আপদকালীন সময়ের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণকে ভ্রাম্যমাণ পরিবহনের মাধ্যমে সুপেয় খাবার জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় জলের জন্য পাড় উঁচু করে পুকুর ও দীঘি খনন করা এবং স্বাস্থ্য সম্মত উঁচু ল্যাট্রিন স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেন। অ্যাওসেড প্রধান নির্বাহী শামীম আরেফিন বলেন, খাস জমিতে বড় বড় দীঘি ও পুকুর কাটতে হবে। তার পাড় উঁচু করতে হবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় গভীর নলকূপ ও পুকুর সম্পূর্ণ ও আংশিক ২ হাজার ৯৪টি এবং ল্যাট্রিন ৫ হাজার ১০০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন