
নিউজ ডেস্কঃ করোনার সংক্রমণের মধ্যেই আসছে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর। এবারের ঈদে সকল অফিস-আদালতে টানা ১০ দিনের ছুটি দেয়া হতে পারে। সরকারি দিনপঞ্জিতে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ২৫ মে চিহ্নিত করা আছে। করোনাভাইরাসের কারণে এবার ঈদের ছুটি ২১-৩০ মে করার চিন্তা করছে সরকার। ঈদের আগে-পরের দুটি সাপ্তাহিক ছুটির চার দিন ও শবে কদরের এক দিনের ছুটিও এ ছুটির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। ফলে ঈদের ছুটির সঙ্গে মিলে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়তে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে প্রথম সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর কয়েক ধাপে ১৬ মে পর্যন্ত চলছে টানা সাধারণ ছুটি। আজ ১২ মে, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাধারণ ছুটি এবং ঈদ ছুটিসংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শিগগিরই জারি করা হবে।
সাধারণত প্রতি বছরের ডিসেম্বর মাসে নতুন বছরের সরকারি ছুটির অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। অন্যান্য বছরের রীতি অনুযায়ী সরকারি ক্যালেন্ডারে চলতি বছরের পূর্বনির্ধারিত সম্ভাব্য ঈদ ছুটি হিসেবে বরাদ্দ আছে ২৪, ২৫ ও ২৬ মে। এর আগে ২১ মে শবে কদর এবং ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি মিলে সাধারণভাবেই ঈদের মোট ছুটি দাঁড়ায় ছয় দিন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে স্বাভাবিক সব ক্যালেন্ডার এলোমেলো হয়ে গেছে। এ কারণে সরকার ভাবছে ২৬ মে’র পরের দুই কার্যদিবস অর্থাৎ ২৭ ও ২৮ মে ও ছুটি ঘোষণার। এতে করে ২৯ ও ৩০ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ঈদের ছুটি দাঁড়াবে ১০ দিনে। সংশ্লিষ্ট কমকর্তারা মনে করছেন, এর ফলে চলতি মে মাসের শেষ দুই সপ্তাহের মানুষে মানুষে মেলামেশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এতে ব্যাপক হারে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া কিছুটা হলেও রোধ করা যাবে।