
নিউজ ডেস্কঃ শরীয়তপুর সদর উপজেলার বাছারকান্দি গ্রামের আলী হোসেন মোল্লা (৮৫) এসেছেন বয়স্ক ভাতার টাকা তুলতে। ব্যাংকের সামনে চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও ব্যাংকে প্রবেশ করতে পারেননি। ক্লান্ত আলী হোসেন দীর্ঘ সময় রোদে দাঁড়িয়ে থেকে অসুস্থ বোধ করছিলেন। কখন দাড়িয়ে, কখনো বসে, কখনো লাইনের পাশে একটি দোকানের সিড়িতে হেলান দিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর মতো কয়েক শ মানুষ রবিবার বয়স্ক ভাতার টাকা তুলতে এসে এভাবেই সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সড়কে অপেক্ষা করেছেন। করোনার সংক্রমনের ঝুঁকি থাকলেও অপেক্ষা করার সময় কাউকেই সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি। অনেকেই মুখে মাস্ক পরেননি।
জনতা ব্যাংকের শরীয়তপুর শহর শাখার ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান বলেন, এ শাখায় দেড় হাজার ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার হিসাব নম্বর রয়েছে। রবিবার তিন শতাধিক মানুষ এক সঙ্গে চলে আসায় কিছুটা ঝামেলায় হয়েছিল। করোনার কারণে অনেক মানুষ এক সঙ্গে ব্যাংকে ঢোকার সুযোগ ছিল না। তাই তাদের বাইরেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ বিষয়ে শরীয়তপুর সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. কামাল হোসেন বলেন, জানুয়ারী-মার্চের বয়স্ক ভাতা দেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি ঈদ ও করোনার কারণে এপ্রিল-জুনের কিস্তিও ব্যাংক থেকে দেওয়া হয়েছে। উপকারভোগীরা দুটি কিস্তির টাকা একসঙ্গে তুলতে পারবেন। আর এক সঙ্গে অনেক মানুষ ভিড় করায় ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা বিপাকে পড়েছেন। মুঠোফোনের মাধ্যমে কীভাবে টাকা দেওয়া যায় তা সরকারের ভাবনায় আছে।