
নিউজ ডেস্কঃ বিভিন্ন সময় ফেসবুক লাইভ ও পোস্টের মাধ্যমে আলোচনায় থাকেন জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি পৌরসভার মেয়র রুকনুজ্জামান। তবে এবার নিজের দেহরক্ষীকে মারধর করার অভিযোগ এনে বিতর্কের মুখে। এদিকে তথ্যপ্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান তার এমন আচরণকে মানসিক অসুস্থ বলছেন।করোনায় ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার হয়েছেন রুকনুজ্জামান। অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন কাউন্সিলরা। এই পরিস্থিতি তার রোববার ফেসবুক লাইভ ও নিরাপত্তারক্ষীর গুরুতর আহত দাবি করাকে মানসিক হতাশার কারণ বলে মন্তব্য করেছেন নিজ দলের নেতারা।
রোববার (১০ মে) দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে ফেসবুক লাইভে আসেন পৌরমেয়র রুকনুজ্জামান। দেহরক্ষী তনয়কে পাশে বসিয়ে তিনি দাবি করে, পৌরসভা কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তাকে বাধা দেয়া হয়। তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রুকনুজ্জামান। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগও তোলেন ফেসবুকে।এবারও কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হামলার পেছনে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও তথ্যপ্রতিমন্ত্রীকে দায়ী করেন মেয়র ও বহিস্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা রুকনুজ্জামান।
এর আগে, গত ১ মে দল থেকে বহিস্কারের পর সংবাদ সম্মেলন করেও কেঁদেছিলেন তিনি।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার (১০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেয়র রুকুনুজ্জামান তার লোকজন নিয়ে পৌরসভায় ঢোকার চেষ্টা করেন। এ সময় প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী ও সব কাউন্সিলের সমর্থকেরা মেয়রকে বাধা দেন। এতেই উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কিল-ঘুষির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।