
নিউজ ডেস্ক : গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স থেকে রাতারাতি উধাও হয়ে গেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আবক্ষ মূর্তি । স্থাপিত হওয়ার মাত্র ২০ দিনের মাথায় রাতের অন্ধকারে চোরের মত সকলের অগোচরে গতরাতে মূর্তিটিকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এভাবে আর ৫ টি সাধারন মূর্তির মত করে জাতির পিতার মূর্তিটিকে কিভাবে সরানো হল? যথাযোগ্য মর্যাদা ও সন্মান ছাড়া কি জাতির পিতার প্রতিকৃতি টি সরিয়ে ফেলা যায়?
যদিও গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গতকাল জাতির পিতার বিকৃত মূর্তি স্থাপনের স্বপক্ষে ব্যাক্তিগত কৈফিয়ত বলে সোস্যাল মিডিয়াতে নিজের প্রফাইলে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার স্ট্যাটাস পড়ে মনে হয়েছ প্রকৃত পক্ষে তিনি ঐ স্ট্যাটাসে কোন যুক্তিগ্রাহ্য কারন দেখাতে পারেননি । এখানে তিনি তার ব্যাক্তিগত রাগ ও ক্ষোভের বহিপ্রকাশ ঘটিয়ে পরশ্রীকাতরতার পরিচয় দিয়েছেন মাত্র । শুধুমাত্র কতিপয় যুক্তি বা সুন্দর শব্দ চয়ন ঘটিয়ে কি জাতির পিতার আবক্ষ মূর্তির বিকৃতি করনের কৈফিয়ত দেওয়া যায় ?
আর সত্যি যদি চেয়ারম্যান মোস্তফা সরোয়ারের যুক্তির গভীরতা থাকত তাহলে রাতের অন্ধকারে চোরের মত জাতির পিতার মূর্তি কি সরিয়ে ফেলা হল কেন ? এই প্রশ্ন আজ সকল মুজিব সৈনিকের ? চেয়ারম্যান মোস্তফা সরোয়ারের মিষ্টি কথায় কেউই ভুলছেন না। তাই তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ট তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের দৃষ্টি আকর্ষন করলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ঘটনাটি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। তবে কোন অভিযোগ তার কাছে আসেনি । তবুও তিনি উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।